সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

শ্রীরামপুর এস ডি পি ও অফিসের প্রসেনজিৎ বাবু

ফেসবুকের পর্দায় তাঁর সাথে যোগাযোগ হওয়া আমাদের দুজনের বেশ কিছুদিন আগে। একজন পুলিশ আর অন্যজন সাংবাদিক। বেশ ভালোই জুটি বলা যায় একদম রাজযোটক বলা যায় আর কি। একজনের বাড়ী মগরায় আর অন্যজনের বাড়ী শ্রীরামপুরে। আমার পুরোনো লেখা পড়ে তাঁর সঙ্গে আমার কথা হওয়া তাঁর একদিন। ফেসবুক থেকে ফোনের আলাপ তাঁর সঙ্গে আমার। 

সেই তাঁর পুরোনো ছবির অ্যালবাম দেখে আমার বেশ মনে পড়ে যাওয়া। সেই বিখ্যাত এস ডি পি ও ভরতলাল মীনা। যাঁর সাথে ভোটের কাউন্টিং এর দিন আমার বিরাট ঝামেলা হওয়া সেই গঙ্গার ধারের টেক্সটাইল কলেজে। সেই মোবাইল ফোন নিয়ে সংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ করে দেওয়া তাঁর। পরে অবশ্য এই অফিসার এর সাথেই আমার ঘনিষ্ঠতা আর বন্ধুত্ব হয়ে যাওয়া অনেকদিন পরে। সেই গঙ্গার ধারের এস ডি পি ও অফিস। সেই তাঁর বাংলো। সেই সবুজ লন। সেই কত সব বিখ্যাত পুলিশ অফিসার এর কাজের জীবনের শুরুর সময় এস ডি পি ও হয়ে। 

আর সেই অফিসে কাজ করতেন এই প্রসেনজিৎ চৌধুরী। ভালো করে সেই পুরোনো ছবি দেখে মনে পড়ে গেলো তাঁর মুখটি আজ। সেই কত কথা যে হলো তাঁর সাথে। এই সব নানা বিষয়ে। রঘুকে চেনেন তিনি ভালো করেই সেই মগরাতে তাঁর বাড়ীর সুবাদে। অবসরে চলে গেছেন তিনি তবুও এই শহরের কথা মনে পড়ে যায় তাঁর আজও। সেই কাজের স্থান, সেই শ্রীরামপুর কোর্ট, সেই পুরোনো দিনের কথা আজ অবসরে চলে গিয়েও তাঁর মনে পড়ে যায় ঘরে বসে। আর সেই সব স্মৃতি রোমন্থন করতে বেশ তাঁর ভালোই লাগে। 

মগরাতে গেলে তিনি তাঁর বাড়ীতে যাওয়ার কথা বলেছেন একদিন। দেখা হতে পারে বহুদিন পরে আবার তাঁর সাথে। আর আমার লেখার পাঠক তিনি। যেটা শুনে বেশ খুশী আমি। পুলিসের পোশাকে দেখে মনে মনে বেশ ভালোই লাগলো আমার। সেই এস ডি পি ও বাংলো। সেই রিপোর্টার হয়ে কিছু বড় ঘটনা ঘটলে তাঁর কাছে বাইট নিতে যাওয়া আমার। সেই কারুর দেখা করে কথা বলা সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া। আর কারুর আবার আর্দালি দিয়ে না বলে দেওয়া স্লিপ দিলেও অপেক্ষার পর। সেই বি এল মীনা, সেই শঙ্খশুভ্র চক্রবর্তী, সেই সুপ্রতীম সরকার, সেই রনবীর সিং, সেই আরও কত বিখ্যাত জন যে এই চেয়ারে কাজ করে গেছেন আজ সবার নাম হয়তো আমার মনেই নেই। 

তবু একজন সাধারণ পুলিশ কর্মী হয়েও তিনি আজ এত পুরোনো কথা মনে রেখেছেন, এটাই বা কম পাওনা কী এই আমার বাতিল সাংবাদিকের জীবনে। এই পাওয়া তো কম নয় কী বলুন। সত্যিই অসাধারণ কিন্তু এই তাঁর সাথে আমার যোগাযোগ হওয়া হঠাৎ করেই। ঠাকুরের ছবি দেখে আমায় নিজের মনে করে তাঁর বাড়ীর ঠাকুরের সৎসঙ্গের ছবি দেওয়া আমায়। আর আমার সাদা জীবনের কালো কথায় আমার আঁকিবুঁকি ব্লগের পাতায় সেই কথা লিখে ফেললাম আমি আজ এই রাতের বেলায়। 

সত্যিই জীবন তো একটা বহতা নদীর মতই। যে নদী এইভাবেই বয়ে যায় শ্রীরামপুর হয়ে মগরা হয়ে আরও দূরে কোনো জায়গায় নতুন এক সম্পর্ক নিয়ে সে ধরা দেয়। যে কাজ এর জীবন যাপন শেষ হয়ে গেছে দুজনের কিন্তু সেই সব দিনের উজ্জ্বল স্মৃতি তো দুজনের আজও মনে আছে তাঁর। সেই শ্রীরামপুর থানার আই সি সুখময় বাবুর কথা বললেন তিনি। সেই শঙ্খ বাবুর কথা। সেই সব নানা অভিজ্ঞতা আর নানা জনের সাথে তাঁর কাজ এর কথা। আজ এই লেখা লিখতে বসে সেই সব নানা জনের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে আমার।

 একসময়ে খবরের খোঁজে এঁদের সাহায্য নিয়েই তো এই পেশায় কাজ করেছি আমি। আজ যদিও আর নেই এই কাজ এর সীমানায় তবুও দীর্ঘ ৩৫ বছরের এই যে খবরের দুনিয়ায় ঘুরে বেড়ানো আর চড়ে বেড়ানো সেই সব দিনে তো এনারাই ছিলেন আমাদের আশেপাশে খবরের সোর্স হয়েই। সেই সাহেব আর বড় সাহেবদের আশেপাশে। যাঁরা কত যে সাহায্য করেছেন আমায় নানা এক্সক্লুসিভ খবর এর সন্ধান দিয়ে। সত্যিই সে একটা দিন ছিলো বটে। সত্যিই তো এই সাংবাদিকতার পেশা একটা মহান পেশা। আজকে হয়তো কিছুটা বদল এসেছে এই পেশায়। তবুও সেই পুরোনো দিনের সোর্স আর পুরোনো দিনের অফিসার আর সেই পুরোনো দিনের রিপোর্টারদের জুটি কিন্তু খুব খারাপ ছিলো না। 

সাংবাদিক আর পুলিশের খুব বিশেষ সমঝোতা ছিল না কিন্তু শত্রু না হয়ে বন্ধু হয়েই বেঁচে থাকা ছিলো এই দুজনেরই। জানিনা এটা মানবেন কী না সেই প্রাক্তন অবসর প্রাপ্ত পুলিস কর্মী প্রসেনজিৎ বাবু। হয়তো তাঁর পছন্দ হবে না এই লেখা। যে পুলিশ আমায় কোনও সময়ে পছন্দ করেনি যে কেউই। তবুও আজ তাঁর এই একটি বহু পুরোনো দিনের ছবি দেখে কত কিছুই কথা যে মনে পড়ে গেলো আমার এই রাতের গভীরে। সেই ভরতলাল মীনা সাহেবের আমল। সেই তারাপুকুর এর পূজোর সময় ঝামেলা হলো। সেই লাঠিচার্জ হলো। সেই ফাংশন ছিলো বোধহয়। সেই পুলিশের মাথা ফাটলো। সেই সারারাত পুলিশের অপারেশন হলো। এস ডি পি ও নিজে অপারেশন করলেন সারারাত। আর আমরা সাংবাদিকরা সেই রাতে খবর করলাম ছবি করলাম। কেউ বোধহয় সেই উত্তেজিত জনতার ছোঁড়া ইঁট পাটকেল এর আঘাতে আহত হলো। 

সব একসাথে মিলেমিশে কাজ করা হতো বেশ ভালো মজার একটা দৌড়ের জীবন ছিলো সেই কঠিন সিপিএমের আমলে। আজ সেই জীবনটাই কেমন হারিয়ে গেছে যে। ভালো থাকবেন আপনি অবসরে চলে যাওয়া সেই প্রাক্তন পুলিশ কর্মী প্রসেনজিৎ বাবু। যদি কোনোদিন দেখা হয় ভালোই লাগবে বেশ। শুধু সাদা কালো অক্ষরে আমাদের কিছু এই কথা লেখা থাক জীবনের এই মূল্যবান ডায়েরীতে। ভালো থাকুন আপনি। সুস্থ থাকুন আপনি। 

শ্রীরামপুর এস ডি পি ও অফিসের প্রসেনজিৎ বাবু - অভিজিৎ বসু।
আঠারো ফেব্রুয়ারি দু হাজার ছাব্বিশ।
ছবি সৌজন্য ফেসবুক।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কৌশিকী অমাবস্যার রাত

আজ কৌশিকী অমাবস্যা। বিশ্বাস অনুযায়ী এই তিথিতে বিশেষ পুজোয় অংশ গ্রহণ করে দ্বারকা নদীতে স্নান করলে নাকি জীবনের সব পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।আর এদিন সঠিক ভাবে যদি তন্ত্র ক্রিয়া করা যায় তাহলে জীবনের সব বাধা বিপত্তি কেটে যায় খুব সহজেই।  কথিত আছে এই দিনেই তারাপীঠে কৌশিকী অমাবস্যা দিনে সাধক বাম্যাক্ষ্যাপা সিদ্ধিলাভ করেন। যে জন্য এইদিনে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভীড় উপচে পড়ে মা তারার মন্দিরে। ভক্তরা এই বিশেষ দিনে মাকে পূজো দিয়ে তাঁদের মনোস্কামনা পূরণ করতে চান। কথিত আছে সাধক বামাক্ষ্যাপা বারোশ চুয়াত্তর বঙ্গাব্দে তারাপীঠ মহাশ্মশানে শ্বেতশিমুল বৃক্ষের তলায় তিনি সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। ধ্যানমগ্ন বামাক্ষ্যাপা এদিন মা তারার দর্শন পান বলেও শোনা যায়।  এইদিনে, এই তিথিতে কৌশিকী রূপে মা তারা বিশেষ সন্ধিক্ষণে শুম্ভ আর নিশুম্ভ নামের অসুরদের দমন করেন। সেই নামে এই কৌশিকী অমাবস্যা নামটি এসেছে। এই অমাবস্যা অন্য যে কোনো দিনের থেকে একটু আলাদা। কারণ এই দিনটি বিশেষ একটি দিন আর বিশেষ একটি তিথি। শোনা যায় এইদিনেই নাকি খুলে যায় স্বর্গ আর নরকের দ্বার একসাথে। সাধক এই দিনে ...

ঝরে পড়া কুয়াশা

ঝরে পড়া কুয়াশার মাঝে, টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ে অবিরাম।  কালো মেঘের আড়ালে, মুখ লুকিয়ে শীতার্ত রবি,একটু উষ্ণতা খোঁজে। শুধুই একটু উষ্ণতা। বুকের মাঝে মুখ লুকিয়ে, মুখ ঘষে যে চাঁদ পানা শিশুটা। সেও তো নরম বুকের ওম নিয়ে, উষ্ণতাই খোঁজে একটু।  আর ওই যে একফালি রোদ্দুর, ঝলমলে হাসি নিয়ে, যে প্রচেতার হাত ধরে, ভালোবাসি বলেছিল। সেও তো উষ্ণতায়, সিক্ত হতে চায়  বার বার।  আর উষ্ণতারই খোঁজে আলগোছে,  টুপ করে খসে পরে লাল পলাশ,  শুকনো ঘাসের ওপর। সাদা প্রজাপতির রেনু মাখা চুম্বনে, লজ্জায় রাঙা হয় সে। শীতের শেষে উষ্ণতার খোঁজে। লাল পলাশের স্পর্শে, ঘুম ভাঙ্গে বসন্তের। অভিজিৎ বসু। 03.02.2024

জয় মা মঙ্গলচন্ডী

মা মঙ্গলচণ্ডী, যাঁহার নাম মধুর ও মনোহর, যাঁহার হস্তে বর ও অভয় মুদ্রা, যিনি দ্বিভুজা ও গৌরবর্ণা, যিনি রক্তপদ্মাসনে উপবিষ্টা ও মুকুট দ্বারা উজ্জ্বলরূপে ভূষিতা, যিনি রক্তবর্ণ কৌষেয় (চেলির) বস্ত্র পরিধান করিয়া আছেন, যিনি সহাস্যবদনা, সুন্দরাননা ও নবযৌবনা, যিনি সুন্দরাঙ্গী ও মধুর লাবণ্যযুক্তা, তিনিই হলেন দেবী মঙ্গলচণ্ডী। বিশ্বের মূল স্বরূপা প্রকৃতিদেবীর মুখ হ’তে মঙ্গলচণ্ডী দেবী উৎপন্না হয়েছেন। তিনি সৃষ্টিকার্য্যে মঙ্গলরূপা এবং সংহারকার্য্যে কোপরূপিণী, এইজন্য পণ্ডিতগণ তাঁকে মঙ্গলচণ্ডী বলিয়া অভিহিত করেন।” “দক্ষ অর্থে চণ্ডী এবং কল্যাণ অর্থে মঙ্গল। মঙ্গলকর বস্তুর মধ্যে দক্ষ বলে তিনি মঙ্গলচণ্ডী নামে প্রসিদ্ধ। প্রতি মঙ্গলবারে তাঁহার পূজা বিধেয়। মনু বংশীয় মঙ্গল রাজা নিরন্তর তাঁহার পূজা করিতেন।” জৈষ্ঠ্যমাসের প্রতি মঙ্গলবারে মা চণ্ডীর আরাধনা করা হয় বলে এই ব্রতের নাম মঙ্গলচণ্ডী ব্রত। জীবনে শ্রেষ্ঠ মাঙ্গল্যের প্রতিষ্ঠার জন্যই এ ব্রতের অনুষ্ঠান। মঙ্গলচণ্ডী ব্রতের নানা রূপ আছে। কুমারীরা যে মঙ্গলচণ্ডী ব্রতের আচরণ করে, তা অতি সহজ ও সংক্ষিপ্ত। দেবী অপ্রাকৃত মহিমার প্রশস্তিগীতি ব্রতের ছড়ায় এস...

ইটিভির পিনাকপাণি ঘোষ

কিছু মানুষ কত কাছে থেকেও পাশাপাশি এক জায়গায় বাস করেও একসাথে একসময় কাজ করেও যে কত দূরে রয়ে যান নিজের হাসিমুখ নিয়ে আর সেই চেনা ছন্দ নিয়ে সত্যিই বেশ ভালো মজার ব্যাপার কিন্তু এটা জীবনের মেঠো পথে। সেই ইটিভির বিখ্যাত সাংবাদিক হয়ে ঘুরে ঘুরে স্ট্রীট ফুডের ছবি তোলা আর নানা খবর করে খাওয়া দাওয়ার এপিসোড করে একসময়ে বিখ্যাত সাংবাদিক হয়ে যাওয়া ইটিভি নিউজে। আর আমাদের জেলায় বসে সেইসব হাঁ করে দেখা আর কেমন মনের ভেতর অস্থিরতা তৈরি হওয়া। একেই বলে কলকাতার রাজপথের সাংবাদিক বলে কথা।  সেই যে বার রাষ্ট্রপতি এলেন জয়কৃষ্ণ লাইব্রেরী প্রাঙ্গণে সেই অনুষ্ঠানের বিশেষ কার্ড জোগাড় করে দেওয়ার অনুরোধ করা ইটিভির চাকরি করার সুবাদে। কোনো রকমে সেই কার্ড জোগাড় করে এনে দেওয়া তাঁকে আর তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য। আর সেই একদিন দুপুর বেলায় খুব সম্ভবত করোনা শেষ পর্বে বালিঘাট স্টেশন থেকে অফিস যাওয়ার সময় এসি পঞ্চাশ এর বাস এর ভিতরে দেখা হওয়ায় কত গল্প করা দুজন মিলে পুরনো দিনের। আবার উত্তরপাড়ার সেই বিখ্যাত চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে গিয়ে হাসি মুখে দেখা হয়ে যাওয়া রাতের বেলায় কাঁঠালবা...

ঈদের চাঁদের আলো

ঈদের আকাশে শুধু এক ফালি চাঁদের অপেক্ষা। তারপর কত শত মানুষের মুখের, মলিন হাসি মাখা উজ্জ্বল সব আনন্দের মুখ।  ঘরে ফেরার অপেক্ষায় প্রহর গোনা, সব মানুষ জন। বাজিতপুর ঘাট থেকে স্টিমারের ভোঁ ভোঁ আওয়াজ। স্টিমারের গায়ে জলের ছলাৎ ছলাৎ শব্দ। বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখা একরাশ চাপা, নিশুতি রাতের গভীর গোপন ভালোবাসা। ঠিক যেনো জুঁই ফুলের সুবাস ছড়ায় গরম কালে, সেই ভালোবাসার ধাক্কা লাগে স্টিমারের গায়ে। জলের ওপর ছড়িয়ে পড়া চাঁদের টুকরো টুকরো আলো গায়ে মেখে, দুলে ওঠে স্টিমার। জুঁই এর গন্ধ মাখা আলোর টুকরো ভেসে যায় নদীর পাড় ধরে।  সব মিলিয়ে আজ যে আমাদের খুশীর ঈদ। এই তো কিছু দিন আগেও এই ঈদের দিন শবনম এসেছিল। যে সেমাই এর পায়েস নিয়ে হাজির হয়েছিল, সুজাতার মতই আমার টালির ঘরে। যার চোখের পানিতে ভিজে গেছিলো, উঠোন, দাওয়া সব কিছুই। কেমন যেনো সুখের পরশ পেয়ে খুশি হয়ে ছিলাম আমরা দুজনেই। আজ আর চাঁদের টুকরো আলোয়, চক চক করে না শবনমের মুখ। হাজারো চড়াই উৎরাই পেরিয়ে, খুশির জোয়ার আসে না কিছুতেই, এই খুশীর দিনেও। শবনমের হাতের মুঠোয় ধরা থাকে না পায়েসের বাটি। শবনমের শুকনো বুকে মুখ লুকিয়ে খাবার...