সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

যা দেখি…প্রতিদিন মনে পড়ে কত… স্মৃতির পথ ধরে হাঁটি… লিখি…

সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

বার্তালাপ এর পার্থ

ভোটের সময়ে কাউন্টিং এর দিনে একটি ছবি দেখে ফেসবুকে মন্তব্য করলাম আমি কত চেনা মুখ দেখলাম এই ভোটের বাজারে ছবিতে। আর তাতে উত্তরও এলো ওর কাছ থেকে অভিজিৎ দা কেমন আছো তুমি। আমার তো উত্তর বাঁধাই আছে। টোটো চালকের জীবন চলে যাচ্ছে এই আর কি। এই আর কী চলে যায় দিন আমার। সেই পার্থ মুখোপাধ্যায়। হুগলী জেলার কোন্নগর এর বাড়ী ওর। মাঝে মাঝেই ওকে দেখতাম সাধনদার সাথে দেখা করতে আসতো সে। সেই পটুয়া পাড়ার বাড়ীতে। চোখে হাই পাওয়ার এর চশমা পড়ে। বেশ একদম নিপাট ভালো ছেলে মিডিয়ায় কাজ না করলে ওর নিদেন পক্ষে প্রাইমারী স্কুলের হেডস্যার হতে পারতো সে।  কেনো যে এই পেশাকে ভালোবাসলো সে হঠাৎ করেই কে জানে। সেই দুরদর্শন এর কাজ, সেই পিন্টুর সাথে সিটিভিএন এর কাজ, সেই সাধন গাঙ্গুলী দার শ্রীরামপুর সমাচার এর লেখা, এইভাবেই ওর ঘুরে বেড়ানো মিডিয়ার কানা গলিতে দীর্ঘ দিন ধরেই। শুধুই সেই ভালোবাসা অন্ধ ভালবাসার জন্য জীবনের কুড়িটি বছর কে হারিয়ে ফেলা। সেই পার্থ ওর নম্বর দিলো মেসেঞ্জারে। আমিও আমার নম্বর দিলাম। কথা হলো দুজনের বহুদিনের পর। আমার মনে হলো আজকাল যেমন পাগল বলে বা উন্মাদ বলে সবাই আমায় এড়িয়...

বঙ্গ মিডিয়ায় চেয়ার কার মাসল ম্যান না মাসল উও ম্যান এর?

সাদা জীবনের কালো কথায় আজ শুধুই চেয়ার এর গল্প। আসলে এই হাতল ওলা চেয়ার যেদিকে খুশি ঘুরে বেড়ানো চেয়ারদের নিয়ে কিন্তু ঝামেলা কম নয় যেনো আমাদের চারপাশে। এই চেয়ার আছে তার নিজের স্বস্থানে, স্বমহিমায়, কেমন উজ্জ্বল হয়ে, ভাস্বর হয়ে চোখের সামনে। আবার ঘাড় ঘুরিয়ে দেখা গেলো নেই সেই চেয়ার নিজের জায়গায়। যে চেয়ার নিয়ে এত মাতামাতি হৈ চৈ হুল্লোড় এক নিমেষে কেমন যেনো নিরানন্দের পরিবেশ দেখা গেলো তার চারপাশে। যাঁর চেয়ার তার কাছে আর নেই। অন্য কেউ দখল করে নিয়েছে হাসতে হাসতেই।  আসলে রাজ্যে ক্ষমতার এই রং বদলের সাথে সাথেই চেয়ার নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে জোর কদমে। কে পাবেন চেয়ার আর কে চেয়ার থেকে ধপ করে মাটিতে পড়ে যাবেন পা পিছলে আলুর দম হয়ে সে নিয়ে জোর জল্পনা আর কল্পনা চলছে সর্বত্রই মিডিয়ার অন্দরে। রাজ্য জুড়ে এখন তার প্রবল প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে যে। পুরুষ মহিলা নির্বিশেষে সবুজ ছেড়ে গেরুয়া হয়ে প্রবল বেগে এগিয়ে যাওয়া তাঁদের এই ক্ষমতার চেয়ার এর দিকে। যে চেয়ার পেলেই আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিশ্চিত মিডিয়ার দাপুটে জীবন। একে ধমকানো ওকে চমকানো ওর পেছনে লাঠি চার্জ করে আর লা...

নতুন স্বপ্ন দেখা মৃদুল দাশগুপ্ত

বাড়ীর পাশে রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে আচমকা দেখা হয়ে যাওয়া তাঁর সাথে। কখনও চায়ের দোকানে। কখনও লাল পার্টির সেই এক সময়ের গমগমে সরু গলির মোড়ে চায়ের দোকানে যে লাল আজ বহু আগেই অস্তমিত সেই ফাঁকা দোকানের সামনে চায়ের ভাঁড় হাতে সস্তার সিগারেট এর ধোঁয়ায় এখনও যিনি মনে করেন বাংলা সংবাদের জায়গাটা ক্রমেই কেমন জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে দিন দিন। একটা নতুন কাগজ করলে কেমন হয়। সেই যাঁকে কলকাতা থেকে গাড়ী পাঠিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে সেই কত বছর আগে এক কাগজের বিখ্যাত কর্তা তুলে নিয়ে তাঁকে যুগান্তর এর পত্রিকায় চাকরি দিয়েছিলেন সেই অমিতাভ চৌধুরী। যিনি সেই চাকরি করে গেছেন কিন্তু একাউন্টস বিভাগে গিয়ে যে বেতন নিতে হবে মাসের শেষে সেটা না বুঝেই খবর লিখে গেছেন মনের আনন্দে মাসের পর মাস। আসলে নিশির মতই নেশায় পেয়ে বসেছে যে সেই কাঁচা বয়সে খবরের নেশা।  যে বয়স আঠারোর স্বপ্ন দেখে জীবনের সাদা কালো রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় আপন মনে আর আপন ছন্দে। সেই যিনি বলতে পারেন কাগজ তো সমষ্টিগত মানুষের ফসল। যেখানে উচ্চ নীচ পদ থাকলেও একসাথে মুড়ি খাওয়া সেই জ্যোতি বসু কে গণা বলে ডাকা বিখ্যাত সাং...

জগদীশ চন্দ্র আর পট্টি নিউজ

জগদীশ চন্দ্র। দেশের মিডিয়ায় একটি অতি পরিচিত নাম। সারা দেশের মিডিয়ায় হৈ চৈ হুল্লোড় ফেলে দিয়েছিলেন তিনি শুধু পট্টি নিউজ এর জন্যই। শুধুই ওয়ার রুম করে পট্টি নিউজ চালু করে বঙ্গের মিডিয়ায় বিরাট ব্যাপার হয়ে উঠেছিলেন তিনি এক সময়। সেই রামোজি রাও এর বিহার চ্যানেলের কর্তা ছিলেন তিনি। সেই রামোজি রাও এর চ্যানেল এর মুকেশ আম্বানির কাছে হাত বদলের সময় তাঁর অগ্রণী ভূমিকা নেওয়া নানা ভাবেই।  সেই গলায় কালো মাফলার ঝুলিয়ে বক্সার না হলেও মিডিয়ার ফিক্সার হয়ে এই দেশের মিডিয়ায় দাপটে রাজত্ব করা তাঁর বেশ কিছুদিনের জন্য। এই বাংলা মিডিয়ায় তখন পট্টি নিউজ এর জন্য হিমসিম অবস্থা সবার। কলকাতায় এলে তাঁকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেই তাঁর পকেট থেকে মিলবে টাকা পুরুষ মহিলা সাংবাদিক নির্বিশেষে এর থেকে বঞ্চিত কেউ নয়। সব মিলিয়ে মিডিয়ার একটা উল্লেখযোগ্য বর্ণময় মুখ হঠাৎ করেই হারিয়ে গেলো কেমন। কোথায় গেলেন তিনি কে জানে।  সেই জয়পুরে বাংলার বিখ্যাত দাপুটে সাংবাদিক ধ্রুবর এডিটর হয়ে তাঁর সাথে দেখা করতে যাওয়া প্লেন করে ধ্রুবর। সেই জয়পুরে নামতেই আমার ধ্রুবকে মেস...

আজ মায়ের দিন

আজ মায়ের দিন। দেখতে দেখতে দেয়ালের এই ছবিটা কেমন যেনো ধূসর হয়ে যাচ্ছে। সেই ছবিতে মা আমার আটকে আছে তিন বছর পার। মা বলে ডাকা হয়নি কতদিন আমার। মায়ের সাথে দেখাও হয় না আর আমার বহুদিন। আর কোনোদিন হবার সম্ভাবনা নেই। তবু এই ভোরবেলায় মায়ের দিন যাপন এর দিনে চারিদিকে শুধুই মায়ের সাথে ছবি দেখে আমার খুব কষ্ট হয় যে। সেই ছোটো বেলার লাঠির মার খেতাম আমি। ভাড়া বাড়ীর সামনে উঠোনে বাঁশে দড়ি দিয়ে হাত বেঁধে মার সেই লাল দাগ হয়ে যাওয়া আজ কিছুই নেই এই জীবনে আমার সব দাগ উবে গেছে কবেই। শুধুই সেই টালির ঘরে সেই কত বছর আগের দেওয়ালে টাঙানো একটি ছবি আছে আর কিছু ধূসর স্মৃতি। যাকে এই রাতদুপুরে কুলুঙ্গি থেকে বের করলেই দু চোখ বেয়ে জল আসে আমার এই বুড়ো বয়সেও।  কেন যে মা আমায় ছেড়ে এত তাড়াতাড়ি চলে গেলো কে জানে। যে মাকে ২৪ ঘণ্টার কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে এসে চিকিৎসা করতে পারলাম না ওষুধ কিনে দিতে পারলাম না শেষকৃত্যর টাকা জোগাড় করে লোকে দিয়েছে তারপর সেই কাজ করেছি আমি। আর আজ কেন যে এমন দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে আমার হৃদয় কে জানে। এতো কান্না জমে ছিল এত দিন পরেও আমার হারিয়ে যাওয়া মায়ের জন্য। যেটা ...

অমলতাস এর গায়ে পদ্মের ছোঁয়া

সেই আমার বোলপুরের চেনা আদিবাসী গ্রামের রাস্তায় হলুদ অমলতাস এর ছোঁয়া আলতো করে। আর সেই বৃষ্টি ভেজা গাছের গায়ে গেরুয়ার সগর্বের উজ্জ্বল উপস্থিতি। ঘাস ফুলের গন্ধ ছেড়ে চারিদিকে শুধুই এখন গেরুয়াময় আর গেরুয়াময় পদ্মের দাপাদাপি। ঈশান কোণে পশ্চিমের আকাশের ঢালে নতুন গোলাপী আভার দাগ। একদম ঠিক লজ্জা রাঙা কিশোরীর মতই সেই তার চপল চাহনি লেগে আছে পশ্চিম আকাশের শেষ প্রান্তে ওই দূরে অনেক দূরে। সেই চেনা ফাঁকা রাস্তা, সেই বাঁশ বনের পাতার সোঁদা গন্ধ আর মাটির দেওয়ালে হেরে যাওয়া দিদির ঘাসের উপর জোড়া ফুল এবার জিতবে তৃণমুল লেখা বিখ্যাত সেই স্লোগান যা আজ একদম ক্লিশে হয়ে গেছে। আর চেনা গ্রামের কেমন যেনো অচেনা হয়ে যাওয়া আমার কাছেই। তাহলে এতো যে ঢক্কানিনাদ এতো ভাতার ঘোষণা এত কাজের কথা আর উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাওয়া গ্রামে আর শহরে কি হলো হঠাৎ করেই কে জানে। সবটাই যে গভীর গোপন চক্রান্ত আর পরিকল্পিত ছক করে হারিয়ে দেওয়া দিদিকে সেটাই যে অভিমত দিদির ভাই বোন আর আত্মীয়দের।  সেই রাস্তার পাশে টোটোর উপর চপ ভেজে পেট চালানো গ্রামের মধুর দোকানে পাড়ার মোড়ে চেনা ডাকাবুকো ঘা...

বেহাল খাতা ও আমি

রতনপল্লীর ফলপট্টির আড্ডায় আমায় নিয়ে গিয়েছিলেন মধুদা অনেক দিন আগেই এক সন্ধ্যায়। ধীরে ধীরেই মধুদার স্মৃতি ক্রমেই ঝাপসা হচ্ছে যেনো তবুও হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিও তো ঝাপটা মারে যে কোনোও সময় বৃষ্টি ভেজা পালাবদলের সন্ধ্যায়। তবু এতদিন পরেও কেমন করে যে সেই এই আড্ডার টেবিলে পড়ে এক কোণে পড়ে থাকা থাকা বেহাল খাতা, বেহাল টেবিল আর আমার বেহাল জীবন আর এই বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যা সব যে মিলেমিশে একাকার হলো আমার। কে জানে সেই থপ থপ করে রাস্তা পার হওয়া সেই বুড়ো ব্যাঙের মতোই তো আমার এই বুড়ো বয়সের জীবন। আমার এলোমেলো এলেবেলে বিন্দাস সাদা জীবনের কালো কথার বেহিসেবী টোটো চালকের জীবন নিয়ে হাজির হলাম আমি বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায় এই বেহাল খাতার সামনে আজ। হাজির হলাম আকাশ দেখার নেশায় সেই বুঁদ হয়ে থাকা জীবন কাটিয়ে দেওয়া সেই নিখিলেশদার ডাকে। যিনি মাটিতে পায়ে হেঁটে সাইকেল চালিয়ে দিব্যি এই বয়সেও আকাশ দেখার নেশায় আচ্ছন্ন হন বারবার। কত যে বেহাল জীবন আমাদের চারপাশে ঘুরে বেড়ায় এমন। আসলে কে আর কাকে ডাকে এই বুড়ো বয়সে ডাকে বলুন তো আজকাল। আর আমার যে ডাক পড়েনা কোথাও কোনোও জায়গায় সব জায়গায় আমি যে বা...