সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

যা দেখি…প্রতিদিন মনে পড়ে কত… স্মৃতির পথ ধরে হাঁটি… লিখি…

সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

মুঠো ফোনে বন্দী অতীত

সাদা জীবনের কালো কথায় আজ শুধু একজনের কথাই কখনো এইভাবে আমি লিখবো সেটা আমিও ভাবিনি কোনোদিন আর কোনো সময় মনেও হয়নি আমার। হ্যাঁ, সেই যে কথা আজ সকালে হঠাৎ করেই আমায় লিখতে হলো শুধু একটি মুঠোফোনের এক বিশেষ পরিচিত জনের একটি মোবাইল বার্তা পেয়ে। যে মুঠোফোনের এই বার্তা আমার কাছে এলো প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর পর। সেই কলেজ ছেড়ে চলে আসার পর এমন ভালো কথার, মিষ্টি মধুর গন্ধ মাখা কথার বার্তা কবে যে পৌঁছেছে আমার কাছে সেটাই মনে করতে পারলাম না কিছুতেই আজ। বুড়ো বয়সে স্মৃতি যে খুব একটা আর সহযোগিতা করে না আজকাল আমার সাথে সেটা টের পেলাম বেশ অনেকটাই আজ।  আমাদের সেই চেনা জলকলের মাঠ, কলেজের সেই সবুজ চেনা মাঠ, সেই সাদা গোল পোস্ট, সেই লাল রঙ্গন ফুলের সুবাস, সেই কলেজের বিশাল বিশাল বড় থামের আড়াল, সেই কাঠের সিঁড়ির খট খট আওয়াজ, ক্যান্টিনের বৃষ্টি ভেজা দিনে গরম ঘুগনি আর সেঁকা পাউরুটির নরম স্বাদ,সেই সন্ধ্যার জুটমিলের রাস্তায় পাখির কিচির মিচির ডাক, আর নদীর ওপর দিয়ে বয়ে চলা নৌকার ছলাৎ ছলাৎ শব্দ, আর লাইব্রেরির সেই আবছা আলো মাখা পুরোনো বই এর গন্ধ, একটা মুঠো ফোনের বার্তা এত কিছুই মনে করিয...

হ্যাপি বার্থডে দাদা

আজকে ফেসবুক এর দৌলতে জানলাম হীরক কর এর জন্মদিন আজ। যাঁর মেজাজটাই তো আসল রাজা। যিনি মনে করেন সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। যিনি মনে করেন সাংবাদিকতা পেশা একটি ক্রাইম নয় একদম। যিনি বলেন ঘুরে দাঁড়াবেন তিনি আবার এই বয়সেও। স্বপ্ন দেখতে বরাবর ভালোবাসেন তিনি। সেই হীরক কর এর জন্মদিন আজ। সেই এক সময়ের দাপুটে খবরের লোক। যিনি বোকা বাক্সের পর্দায় কাজ করেছেন দীর্ঘ সময়। যিনি সাদা কালো অক্ষর নিয়ে রিসার্চ করেছেন দীর্ঘ সময়। যিনি পুরুলিয়ায় মায়ের স্মৃতিতে স্কুল করেছেন সেই আদিবাসী সম্প্রদায়ের ছেলে মেয়েদের শিক্ষা দান করতে এটাও একটা বড় কাজ তো বটে এই জীবনে তাঁর। সেই তাঁর আজ জন্মদিন। যাঁকে অনেকেই তো ভুলে গেছি প্রায়। স্মৃতির আড়ালে চলে গেছেন তিনি।  এই বিরাট দাপুটে রিপোর্টার এর সাথে আমার আলাপ ত্রিশ বছর আগে তো হবে। সেই পট পরিবর্তনের সময়ে কাজ করা এক সাথে দুজনের বাবা তখন কী দাপট তাঁর সেটা অবশ্য বরাবর। একজন কলকাতার দাপুটে ক্রাইম রিপোর্টার। আর আমরা সব কুঁচো রিপোর্টার জেলা থেকে কলকাতায় এসেছি সদ্য। তারপরে তো সেই ইটিভি বাংলার আমলে যেটা আজ অতীত হয়ে গেছে বলেন আমাদের এক সময়ের পরিচ...

এ এক অন্য ছবি

এই ছবিটাই ধরা থাক। জীবনের ফ্রেমে বন্দি থাকলো এই চার জনের ছবি। পুজোয় এটাই সেরা ছবি ২০২৬ এর। আবার অপেক্ষায় থাকা। দিদার সাথে দেখা হলো তিনজনের নাতি আর নাতনীদের। মায়ের সাথে দেখা হলো দুই মেয়ের। পারিবারিক এই মিলনের ছবি দেখে ভালোই লাগে বেশ। সেই মিলন হবে কতদিনে এটাই যে মনের মাঝে ভাবনা ছিলো বিরহের মাঝেই। পূজো শেষের ঘন্টা বেজে গেছে। সেই ঘণ্টা বাজার মাঝেই সীমাবদ্ধ এই জীবনে জড়িয়ে থাকে সুখ আর দুঃখের নানা অনুভূতি আর আবেগ। জড়িয়ে থাকে মিলন আর বিচ্ছেদের নানা অনুভূতি। সংসার এর আবর্তে ঘুরপাক খায় তারা সব একে একেই।  এইসব এর মাঝেই তো এই পারিবারিক জীবনের এই মিলনের ছবি কিন্তু মন্দ নয়। তিন্নি, বাবু আর বুটার দেখা হওয়া দিদার সাথে কতদিনের পরে কত বছর পরে। একজন ব্যাঙ্গালোর একজন দিল্লী আর অন্যজন এর আলমোড়ায় বাস করা ঘর বাড়ী ছেড়ে পরিবার ছেড়ে। সেখান থেকে এসে দিদার সাথে দেখা করা। এটাই যে বড় ব্যাপার বটে। পুজোয় এমন দিন এর অপেক্ষায় থাকি আমরা সবাই। আর ঝাপসা স্মৃতি নিয়ে দিদার চোখে তখন হাপুস নয়নে জলের ধারা নামে যে। উমা বিদায় হচ্ছে যে সেই জন্য কান্না না নাতি নাতনী মেয়ে জামাইকে প...

গেরুয়া মিষ্টি মুখ করুন

শুভ বিজয়া দশমীর পর মিডিয়াকে একটু চাপে রাখার পর সাংবাদিকদের এই মিষ্টি মুখ করানোর যে ট্র্যাডিশন চলে সরকারের তরফে আর শাসকের তরফে সেই মমতা দিদির আমল থেকে সেটা কিন্তু সমান ভাবেই অব্যাহত আছে বটে আজও এই ভয় কেটে ভরসার শুভেন্দু অধিকারীর আমলেও। তার কোনও হেরফের হয়নি যে। শুধুই নীল সাদার বদলে একটু গেরুয়া রঙের ছোঁয়া লেগেছে সুন্দর সুন্দর মিষ্টির গায়ে। মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নামের পাশে সরকারী অশোক স্তম্ভের গায়েও যে লেগেছে গেরুয়ার ছোঁয়া।  এটা দেখতে বেশ মিষ্টি লাগে যে আমার আজকাল। সাদা আর গেরুয়া রঙের এই হরেক রকমের সন্দেশ দেখে মন ভরে যায় যে। কে বলবে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর মুখে দিন কয়েক আগেই প্রশ্ন করতেই তিনি জানান যে এটা হাইকোর্টের কাছে জিজ্ঞাসা করুন আমায় কেনো বলছেন এমন কথা। আপনাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা তো আর সরকার এর কাজ নয়। তার জন্য আপনাদের হাউসের ভাবনা আমরা কোর্টের নির্দেশ মেনেই কাজ করে চলি গণতন্ত্রে তো এটাই বলে সেটা করাই তো এই সরকার এর কাজ।  সত্যিই অসাধারণ কিন্তু এই মিষ্টি মুখ করানোর আগেই মিডিয়াকে একটু সহবত শিক্ষা দেওয়া তাঁর নানা ভাবে...

শুভ জন্মদিন দাদা

আজ তাঁর ঊনসত্তরতম জন্মদিন বটে। আজ তাঁর ফেসবুকের এই পোস্টে সেই লেখা দেখেই জানতে পারলাম আমি সেটা। বাংলা সংবাদ জগতের এই উজ্জ্বল হীরক দ্যুতির মত তাঁর দীর্ঘ সাংবাদিকতার জীবন। যে জীবনে সাদা বাড়ীর কাজ করে তাঁর সেই উজ্জ্বল হয়ে বেঁচে থাকা আমাদের লক্ষ লক্ষ পাঠকদের কাছে দীর্ঘ সময় ধরেই। সেই কতজন যে তাঁর ছায়ায় বেঁচে ছিলেন একটা সময়ে। একটা মহীরূহ কে ধরেই অনেকের এই খবরের পেশায় টিকে থাকা আর বেড়ে ওঠা। সেটাই তো তাঁর বড় গুণ বটে। আমি যদিও সেই তাঁর অধীনে কাজের সুযোগ পাইনি কখনও। সাধারণ একটি ছাত্র হয়ে জেলার ছেলে হয়ে না সাদা বাড়ী না সেই স্টার আনন্দতে কাজ করা হয়েছে আমার কোনওদিন তাঁর অধীনে। আমি তো আর প্রেসিডেন্সি নই সে যাকগে কী আর করা যাবে বলুন। দু হাজার সালে সেই উত্তরপাড়ায় পৌরসভার নির্বাচনে যে সাংবাদিক মার খেলো আর কলকাতায় মিছিল হলো সেই সাংবাদিক তো এই অধম জেলার পাতি রিপোর্টার যে।  তবু তাঁর লেখা তাঁর খবরের প্রতি এখনও এই বয়সে যে টান দেখি এটাই আমায় অবাক করে বেশ। মেইন স্ট্রিম মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ যখন ধ্বজ হয়ে গেছে সেই কবেই দিদির আমল থেকেই। সেখানে এই বিখ্যাত স্টার সাংবাদিক সুমন চ...

হ্যাপি বার্থডে টু ইউ

আমার সাদা জীবনের কালো কথায় আমার আঁকিবুঁকি ব্লগের পাতায় আমি তো অনেক সাংবাদিককে নিয়েই লিখি আমি। অনেকে বলেন কী বা হবে এই টোটো চালকের লেখা লিখে বলুন আপনারা এইসব আর কি বা পড়ে। কতজন এর সাথেই তো কাজের অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার এই দীর্ঘ ৩৫ বছরে। তবে এই অঙ্গীরা ব্যানার্জীর জন্মদিন গেলো সদ্য সদ্য। তাঁকে নিয়ে লিখতে গেলে একটু ভয়ই হয় বটে। যদি কিছু ভাবেন তিনি আর তাঁর সাথে জেলার সাংবাদিক হিসেবে কাজের সুযোগ ঘটেনি বলে। এক সময়ে সেই মুম্বাইয়ের এর তাজ হোটেলে জঙ্গী আক্রমণের সময়ে টিভির পর্দায় দেখেছি আমরা তাঁকে। সেই খুব সম্ভবতঃ ২৪ ঘণ্টার পর্দায় দেখেছি তাঁকে। কী দাপটে কাজ করেছেন তিনি সেই সময়।  সে এক ভয়ঙ্কর কাজের অভিজ্ঞতা আছে তাঁর এই সাংবাদিকতার জীবনে। আরও অনেক বড় বড় ঘটনার সাক্ষী সে। কলকাতাতে প্রয়াত অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের টিমে কাজ করেছে সে ক্রাইম বিটে সে বেশ বিখ্যাত দাপুটে রিপোর্টার ছিলেন তিনি সেই সময়ে। দিল্লী আর কলকাতা তে কাজের অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। এই দিন কয়েক আগেই দেখলাম বহু দিনের পর দেশে এসেছেন তিনি দুবাই থেকে। বেনারস ভ্রমণে। টুক টাক কথা হলো যে তাঁর সাথে ফেসবুকের দুন...

মিন্টে ও আমি

সাদা জীবনের কালো কথায় আজ আমি মিন্টের কথা বলতে চাই। জীবনের নানা রঙের ভালোবাসার সব উজ্জ্বল জলছবি এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে বৃষ্টির ফোঁটার মতো। কেউ বলেন সাদা জীবনের কালো কথা লেখার কি দরকার আছে কোনো। আবার কেউ বলেন যত সব ফালতু কাজ। যাকে তাকে নিয়ে লিখে ফেলার কি দরকার। কি হবে এসব কথা লিখে রেখে। সবার সব কথা, নিজের কথা, অন্যদের কাছে জানানোর কি কোনো দরকার আছে। জীবনের গভীর গোপন অনুভূতির কথা আর নানা অভিজ্ঞতা আর সম্পর্কের কথাকে বাজারে নিয়ে আসার কি খুব প্রয়োজন আছে। কেউ সমালোচনা করছেন এই লেখার। আবার কেউ কেউ বলছেন না না বেশ ভালো লাগে তো পুরোনো দিনের স্মৃতি ঝলমল লেখা পড়তে। কেউ কেউ এই লেখা পড়ে কোনো মন্তব্য করেন না মুখ বুজে চুপ করে থাকেন। আবার কেউ কেউ হাসি মুখে প্রশংসা করেন।এইভাবেই তো আমি লিখে চলেছি আমার নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আর অনুভূতির নানা কথা আপনাদের ভালোবাসা আর মন্দ কথা শুনে। সেটা হতে পারে খারাপ হতে পারে সুখের নয় দুঃখের বিষয়। তবু তো ধরা থাকে সেই সব কথা আমার ব্লগে এই ভাবেই আঁকাবাঁকা অক্ষরে আঁকিবুঁকি ব্লগে।  আর আজ সেই আমাদের সবার কাছে অতি পরিচিত ক্যামের...