সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

যা দেখি…প্রতিদিন মনে পড়ে কত… স্মৃতির পথ ধরে হাঁটি… লিখি…

সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

ঝড়, অভিজিৎ বসু।

ভালোবাসার ভীড়ে ভরে উঠবে শহর থেকে গ্রাম। থিক থিকে ভীড়ে উড়বে ধুলোর কনা চারিদিকে। ধুলোর ঝড়ে ঢেকে যাবে শরীর, মন, প্রাণ। ধুলোর ঝড়ে হারিয়ে যাবে মনের মানুষ। হারিয়ে যায় গোটা জীবন।  জীবনের ছায়া মায়া মাখা পথে একা ঘুরে বেড়াই আমি। ভালোবাসার ভীড়ে আত্মাদের সাথে গা ঢাকা দিয়ে,  লুকিয়ে হাঁটি একা, একা। দেখি অন্ধকারের পথ জুড়ে শুধুই, ভালবাসার অভিনয় করা মানুষের ভীড়। মসৃণ রাস্তায় সরীসৃপের মত এদিক ওদিক দৌড়ে বেড়ায় তারা সন্তর্পনে। পায়ে পা মেলাই ধুলোর ঝড় গায়ে মেখে আনমনে,  ধুলি ধুসরিত হয়ে।  ঠিক যেনো ছাতিমের ডালে বসা ছাতারের মত। ঘোলা চোখের ধুলো মাখা দৃষ্টিতে, দুর পানে তাকিয়ে দেখি।  সূর্যের মিঠে আলোয়, ধুলোর কনা গায়ে মেখে  গোপন অভিসারে মত্ত প্রজাপতির দল। অভিনয়ের অভিসার নয়,  সত্যিই কারের ভালোবাসার অভিসার। ধুলোর ঝড়ে ঢেকে যায় আমার শরীর,মন, প্রাণ। ঝড় - অভিজিৎ বসু।

শ্রীরামপুর এস ডি পি ও অফিসের প্রসেনজিৎ বাবু

ফেসবুকের পর্দায় তাঁর সাথে যোগাযোগ হওয়া আমাদের দুজনের বেশ কিছুদিন আগে। একজন পুলিশ আর অন্যজন সাংবাদিক। বেশ ভালোই জুটি বলা যায় একদম রাজযোটক বলা যায় আর কি। একজনের বাড়ী মগরায় আর অন্যজনের বাড়ী শ্রীরামপুরে। আমার পুরোনো লেখা পড়ে তাঁর সঙ্গে আমার কথা হওয়া তাঁর একদিন। ফেসবুক থেকে ফোনের আলাপ তাঁর সঙ্গে আমার।  সেই তাঁর পুরোনো ছবির অ্যালবাম দেখে আমার বেশ মনে পড়ে যাওয়া। সেই বিখ্যাত এস ডি পি ও ভরতলাল মীনা। যাঁর সাথে ভোটের কাউন্টিং এর দিন আমার বিরাট ঝামেলা হওয়া সেই গঙ্গার ধারের টেক্সটাইল কলেজে। সেই মোবাইল ফোন নিয়ে সংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ করে দেওয়া তাঁর। পরে অবশ্য এই অফিসার এর সাথেই আমার ঘনিষ্ঠতা আর বন্ধুত্ব হয়ে যাওয়া অনেকদিন পরে। সেই গঙ্গার ধারের এস ডি পি ও অফিস। সেই তাঁর বাংলো। সেই সবুজ লন। সেই কত সব বিখ্যাত পুলিশ অফিসার এর কাজের জীবনের শুরুর সময় এস ডি পি ও হয়ে।  আর সেই অফিসে কাজ করতেন এই প্রসেনজিৎ চৌধুরী। ভালো করে সেই পুরোনো ছবি দেখে মনে পড়ে গেলো তাঁর মুখটি আজ। সেই কত কথা যে হলো তাঁর সাথে। এই সব নানা বিষয়ে। রঘুকে চেনেন তিনি ভালো করেই সেই মগরাতে তাঁর বাড়ীর সুব...

টিনের নৌকো আর সেই ক্ষেত্র মোহন শা এর মেলা

বুড়ো হলেও ছোটো বেলায় ফিরতে কে না চায় বলুন তো। আসলে এই জীবনের উলট পুরান আর জীবনের এই ছোটবেলার দিনে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করা আর সেটা নিয়ে স্বপ্ন দেখা একটা রোগ বটে আমাদের সবারই। আর স্মৃতির রাস্তায় হাঁটা চলা করার উপায় নেই যে একদমই আমার এই প্রাচীন শহর শ্রীরামপুরে এই ফ্রেডরিক নগরে। রাস্তায় যা ভীড় এই বিপিদে স্ট্রীট এর রাস্তায় হাঁটতে নামলেই টোটোর ধাক্কায় আপনি কুপোকাত হবেন নিশ্চিত। ফুটপাথ অনেক কমে গেছে পথচারীদের জন্য না হয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য বটে সেটা বেশী প্রয়োজনের। আর তাই রাস্তায় নামলেই কেউ বলবেন দাদু দেখে রাস্তায় হাঁটুন আপনি । কেন যে রাস্তায় বের হন কে জানে। কিছুটা কানে লাগলেও উপায় কি চুলে পাক ধরেছে যে কবেই আমার।  তবুও এই মাঘের হাল্কা শীতে হাঁটতে হাঁটতে আমার সন্ধ্যায় শৈশবে ফেরার বাই চাপে প্রতি বছর এই বসন্তে। এটা একটা রোগ বটে। যা গুটি বসন্তের মতই বেরিয়ে পড়ে প্রতি বছর সজনে ফুলের গন্ধ নাকে এলেই। জীবনের ক্যামেরার চাকা উল্টো দিকে ঘুরিয়ে একবার ঠিক রিওয়াইন্ড করে দেখে নেওয়া সব কিছু ঠিক আছে তো, মরচে পড়ে যায়নি তো স্মৃতির গলিপথের সেই আবছা রাস্তা...

একটি ছবি ও কিছু কথা

ফেসবুকে একটা ছবি পোস্ট করেছে সঞ্চিতা। সাথে আছে সৌভিক এর সেই ওর বিন্দাস মুডের বিখ্যাত ছবি। সেই ২৪ ঘণ্টার পিসিআর এর ছবি এটা। সেই খবরের উত্তাপ আর খবরের ঢেউ এর সাম্রাজ্যে আমাদের ভেসে যাওয়ার চেষ্টা করা ধীরে ধীরে সাঁতার কেটে। কেউ একটু এই খবরের দুনিয়ায় ভালো দক্ষ হয়ে সাঁতার কাটতে পারে আর কেউ আবার একটু কম দক্ষ। আর এই কাজে একটু ভুল হলেই সেই ভুল ধরার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে নানা লোকের বোর্ড বসিয়ে দেওয়া কাঁচের ঘরে ঢুকে কাটা ছেঁড়া করা এডিটর এর সামনেই ফুল কাটা কাপে কফি খেতে খেতে গম্ভীর মুখে। আর সৌভিকের কেমন নিশ্চিন্তে নিরাপদে বলা দাদা সব কিছু ঠিক আছে চিন্তা করো না তুমি একদম। সেই সৌভিকের নিশ্চিন্ত মনে কাজ করে যাওয়া এই ভয় এর পরিবেশেও। যেমন ওর আলাদা একটা সংসার আছে এই খবরের দুনিয়া ছাড়াও যেটা আমি অনেক পরে জানলাম। ডাকটিকিট এর দুনিয়া পুরোনো দিনের নানা জিনিসের দুনিয়ায় ওর ঘুরে বেড়ানো এই খবরের জগৎ ছেড়েও।  আর সেই সঞ্চিতা আর কৌশিকের জুটির সাথে আমার আলাপ সেই ইটিভির আদিম আমল থেকেই সেই সন্ধ্যা সাতটার আমার বাংলার সেরা মুখ তখন ইটিভির পর্দায়। সেই যাঁর সাথে সকাল বেলায় কতদিন যে একসাথেই মর্ন...

একটি ছবি ও কিছু কথা

একে তো ফাগুন মাস কী জানি কি হয়। আজ বোধহয় হাত ধরে এগিয়ে চলারই দিন। দুজনের যে হাত না ছেড়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পথ চলার এই দিন। এই ছবি শান্তিনিকেতনে মেলা মাঠের পাশের রাস্তার ছবি এটি অনেকদিন আগের ছবি। এক গ্রীষ্মের বিকেলের ছবি এটি। আর সেই ছাতা হাতে দুজনের ফাঁকা রাস্তায় হেঁটে যাওয়ার ছবি এটা হলো করোনার সময়ে সেই পূর্বপল্লীর রাস্তায় বোলপুরের ছবি বছর দুই আগের হবে, সেই আমাদের বোলপুর বাসের ছবি।  ভালবাসার মাসে ভালবাসার মানুষকে হাত ধরে একসাথেই পথ চলার কথা দিয়েও আমার কথা রাখতে না পারা এই জীবনের নানা টানাপোড়েনে। তবুও এই হাত ধরে ওকে টেনে টেনে নিয়ে যাওয়ার পিছন থেকে দুজনের রাস্তায় এগিয়ে চলার ছবিটা বেশ মন ভালো করে দেয় আমার এই বুড়ো বয়সেও। যে ছবি আমার স্মৃতির পথে ঘুরে বেড়ায়। সেই কতদিন আগে এই হাত ধরেই টানতে টানতে একদিন তাকে ঘরে নিয়ে আসা। সেই লাল পলাশের রক্ত মাখা সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে ঘরে নিয়ে আসা তাকে লাজুক ভঙ্গিতে।   দেখতে দেখতে কত গুলো বছর একসাথে জড়িয়ে থাকা আমাদের দুজনের। শীত, বসন্ত, বর্ষা আর এই হেমন্তের রাতে। সুখে, দুঃখে ব্যথা নিয়ে আর...

বল্লভ দা ও বীণা পিসির গল্প

দুজনের একজনকে চেনা যাচ্ছে আর একজনকে কিছুতেই চেনা যাচ্ছে না একদম অনেক চেষ্টা করেও। বিবর্ণ ঝাপসা দুজনের ছবি তাঁদের গলায় মালা ফুলের দেওয়া। সেই পিসি আর বল্লভদার চেনা মিস্টি জুটি। আজ যে বল্লভদার মৃত্যুদিন। সেই ছোটবেলায় আমায় পড়াতে আসতো যিনি বীণা পিসি আমাদের পাড়ায় থাকতেন সেই বুলার দিদি। সেই আহিরীটোলা থেকে টিউশন সেরে সংসার বাঁচাতে পিসির দৌড়ে বেড়ানো এদিক ওদিক সেদিক ছোটো ছোটো ভাইবোনদের জন্য। আর পিসির মায়ের ঠোঙা করে বড় মেয়ের সেই দোকানে দোকানে ঘুরে বিক্রি করা। রাতে একা একা আমার মা শুতে পারবে না বাবা বাইরে কাজে পিসির সেই গভীর রাতে এসে দরজায় টক টক করা প্রতিদিন। আর সেই শীত পড়লেই টমেটোর চাটনি নিয়ে কাপে করে আমাদের খেতে দেওয়া পিসির সেই রাতের বেলায় এসে বলা বৌদি বাপি খুব ভালো বাসে ওকে দেবেন আপনি ওকে। এখনও মুখে লেগে আছে যে আজও সেই টমেটোর চাটনির স্বাদ।  আজ সেই পিসি মানে বীণাপিসি আর বল্লভদার সহজ সরল জুটির কথা জীবনের কথা। আমার সাদা জীবনের কালো কথায় আমার আঁকিবুঁকি ব্লগের পাতায় তাঁদের কথা। সেই দুজনের কষ্টের সংসার। সেই জল কাদা পেরিয়ে প্রতি মাসের ২৩ তারিখ সৎসঙ্গ হওয়া পিসীর বাড...

আসছে ভালোবাসার দিন

ভালবাসার মাস। ভালবাসার দিন। ভালবাসার সপ্তাহ। ভালবাসার কথা বলার সাহস করে এগিয়ে যাওয়ার মুহূর্ত। সব যে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে এই পল আর অনুপলে এই মাঘের চৌ প্রহরে বা সকাল বেলায় আর ভোরবেলায়। যেখানে বাঁশ গাছের পাতায় আলোর নাচন খেলে ঝিরিঝিরি শিরশিরে হাওয়া বয়। আর কোকিলের আকুল করা মন কেমনের সুর কানে বাজে। নানা রঙের মাঝে প্রতিক্ষণে প্রতি মুহূর্তে এমন ভালবাসার উপচে পড়া এদিক থেকে ওদিক ঠিক মাটির কলসী বেয়ে জলের মতই টুক করে। জল ছবির এমন ভালবাসা দিবস আসার আগেই কেমন মনের মাঝে আমার আকুল হয়ে যাওয়া। আসলে বোধহয় এই ভালবাসার দিবসের অনুভূতিটাই একদম আলাদা। বসন্তের ভরা মৌসুমেও কেমন যেনো একটা অনুভুতি হয় আমার এই বুড়ো বয়সেও। মনের জানালা খুলে দেখি জানালার পাশে হলুদ পলাশ এর হাতছানি, লাল এর ছোঁয়া লাগা প্রকৃতি আর লাল মাটির রাস্তার অপেক্ষা করা ভালবাসার এই সময়ে ঠিক ওই মুক্তিযোদ্ধার মতই।  আসলে ভালবাসা তো একটা যুদ্ধ করা। এই ভালবাসতে গিয়ে আর ভালবাসা পেতে গিয়ে নিজের সাথে যুদ্ধ করা। মন এর সাথে যুদ্ধ করা। অন্য এক জীবনকে ভালোবেসে তাঁকে কাছে টেনে নেওয়ার জড়তা কাটানোর যুদ্ধ করা। ...