সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ব্লগ অভিজিৎ বসু লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমাদের চেনা বিখ্যাত ঝিলম

বাংলা মিডিয়ার নানাজনের সাথে দীর্ঘ সময়ে আমার কাজে অকাজে নানা সাংবাদিকের সাথে আলাপ থাকলেও। এই সাংবাদিকের সাথে ঠিক যেনো রোদ আর বৃষ্টির টক ঝাল মিষ্টি সম্পর্ক। এই হাসিঠাট্টা মশকরা করা দুজনের, আবার এই সিরিয়াস হয়ে গিয়ে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়ে যাওয়া একে অপরের সাথে। এই নানা বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জনের জন্য তাঁর সাথে আলোচনা হওয়া দুই সহজ পুরোনো বন্ধুর মতো। আবার যেনো খুব ক্ষুদ্র কোনো কারনেই মতান্তর আর মনান্তর হয়ে যাওয়া কথা বন্ধ হয়ে যাওয়া। এই ব্লগ লেখার কথা আমায় বহুদিন আগেই ও বলেছিল একদিন। আজ সেই ব্লগ লেখার পাগলামো কিছুটা তো তাঁর অনুপ্রেরণায় এটা অস্বীকার করা যায় না আজও কিন্তু । যেটা নিয়ে তাঁর সাথে আমার কথাও হয়েছে বহুবার।  বাংলা মিডিয়ার এই শিক্ষিত পড়াশোনা করে সাংবাদিক হতে আসা, এই রিপোর্টার ইন্টারভিউ বোর্ডে পরীক্ষকের জ্ঞান অনুসন্ধানে ব্যাপৃত হতেও পিছপা হয় না কিছুতেই। কোনও পরোয়া না করে আর ভয় না পেয়ে। সে হায়দরাবাদ এর বিখ্যাত বিরিয়ানী এলাকার বস হোক, কিম্বা কাগজের দাপুটে দাড়িওলা বস হোক। বা যে কেউ বস হোক। আসলে এটাই ওর চিরকালের নেচার। যার থেকে আজও বোধহয় বের ...

আমাদের কিট্টু

কিট্টু মানেই ক্যামেরা। কিট্টু মানেই মন ভালো করা ছবি। কিট্টু মানে সেই পান্ডুয়ায় কুকুরের বিয়ের খবর করে আমায় ইটিভির জেলা রিপোর্টারকে হারিয়ে দিয়ে মনে মনে হাসি মুখে বলা এইবার দেখ কেমন লাগে, কিট্টু মানেই চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পূজোর বিশেষ কভারেজ, কিট্টু মানে একরাশ মান অভিমান নিয়ে চন্দননগর স্ট্রান্ড ঘাটে আপন মনে বসে থাকা, কিট্টু মানে জগদ্ধাত্রী পূজোর বিশেষ পাশ দিয়ে গাড়ি ঢুকিয়ে ভীড়ের মধ্যে লোক দিয়ে আমায় আমার পরিবারকে ঠাকুর দেখতে ঘুরিয়ে দেওয়া, কিট্টু মানেই আলফা নিউজ এর সেই সাড়ে পাঁচটার খবরে প্রায়দিন নিজের নামে বাইলাইন করা, কিট্টু মানেই টোটো চালকের আঁকিবুঁকি ব্লগের মাঝে মাঝেই সমালোচনা করা। কিন্তু কিট্টু মানেই টোটো চালকের যে কোনো দরকার পড়লে আশ্বাস দেওয়া। আর বলা দাদা অসুবিধা হলে বলবেন কিন্তু আপনি আমায় দাদা।  হ্যাঁ, আজ আমার সেই সাদা জীবনের কালো কথায় হুগলীর সেই চব্বিশ ঘণ্টার রিপোর্টার বিশ্বজিৎ সিংহ রায় ওরফে কিট্টুর কথা। আসলে আমার এই লেখা লেখা খেলা খেলতে বেশ ভালই লাগে। যদিও ওর সেটা আবার একদম পছন্দ নয়। আমার এই ভাবেই রাতের অন্ধকারে দৌড়ে বেড়াতে বেশ ভালো...

হারিয়ে যাওয়া অর্কপ্রভ সরকার

আসলে সেই আমার ফেলে আসা সাংবাদিক জীবনে কেশপুর আর খানাকুল আর গোঘাটের লড়াই এর দিনকে আমি ভুলবো কি করে কোনোদিন। সেই গোঘাট পার হয়ে চন্দ্রকোনা রোড ধরে সোজা পশ্চিম মেদিনীপুর চলে যাওয়া। সেই কেশপুর, গড়বেতা, চমকাইতলার কথা কি ভোলা যায় কোনোদিন। সেই গোঘাটের ভরত ঘোষ, তিলক ঘোষ এর নাম কি বাম শাসনের অবসান হলেও ভোলা যায় কোনোভাবেই।  সেই বদনগঞ্জ গ্রাম এর গল্প। সেই অভয় ঘোষ এর রোদ চশমার মোটা ফ্রেমের চশমা পড়া গম্ভীর মুখে পার্টি অফিস এর কাঠের চেয়ারে বসে রিপোর্টারদের কড়া নজরে লক্ষ্য করা। সেই গ্রামের রাস্তায় হাসিমুখে দাঁড়িয়ে থাকা ডাকাবুকো রফিক এর গল্প, সেই মোটর সাইকেল করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর চমকাইতলা পৌঁছে যাওয়া পুলিশকে বোকা বানিয়ে, সেই দুপুরে কম লোক নিয়ে বৃষ্টি ভিজে মমতার সভা করা। যে সভাতে হাজির আমি, আর বর্তমান পত্রিকার সাংবাদিক দেবাঞ্জন দাস আর কাজল দা ফটোগ্রাফার, আর আমার বিখ্যাত ক্যামেরাম্যান সুব্রত যশ।আর কেউ ছিল না সেই দিন সেই চমকাইতলার সভায়। আজ যাঁরা মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন হাসি মুখে ঘুরে বেড়ান, তাঁরা কেউই ছিলেন না সেই বৃষ্টি ভেজা দুপুরে...

হারিয়ে যাওয়া সোনাঝুড়ি

বদলে গেছে সোনাঝুরি। বদলে গেছে খোয়াই। বদলে গেছে সেই গ্রামীণ হাটের চিহ্নও। চারিদিকে শুধুই কংক্রিটের জঙ্গল আর জঙ্গলের মাঝে শহুরে মানুষের দাপাদাপি আর শুধুই দাপাদাপি আর দোকানিদের পসরা সাজিয়ে চিৎকার। সেই নতুন কংক্রিটের রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলাম কোথায় গেলো সেই লাল মাটির রাস্তা সে তো উধাও হয়েছে কবেই পুরসভার দাপটে। একি অবস্থা হয়েছে সোনাঝরা সেই সোনাঝুরির হাট এর।‌ আজ থেকে বছর পাঁচেক আগেও তো এই অবস্থা ছিলো না এই জায়গার। কেমন একটা গা ছমছমে ভাব, সন্ধ্যায় হেঁটে বেড়িয়েছি আমরা এই পথ দিয়েই সেই রাজু টোটোর সাথে এই এলাকায়। সত্যিই এই ভাবে বদলে যেতে হয় তাকে। একদম চিনতে পারছি না যে আমি আজ। আমার চেনা খোয়াই এর একি অবস্থা হলো আজ।  সেই মাঠের মাঝে ছোট্টো শনিবার এর খোয়াই এর সাপ্তাহিক হাট দিয়ে যার যাত্রা শুরু হয়েছিল একদিন। সেই এলাকার কিছু মানুষের রুজি রোজগারের ঠিকানা হলো। সেই কোর্ট দাদু, সেই রাম শ্যামের সামনে গাছ তলায় বসে থাকা শাড়ী বিক্রী করা সংহিতা দি, সেই হার দুল বিক্রি করা বাঁধন মন্ডল, সেই জয়িতাদি কিছু জন আছেন এখনও কেউ আর নেই এই আজকের ভীড় উপচে পড়া হাটে। শুধু বদলে গে...

শান্তিসুধা গেস্ট হাউস ও জয়ন্ত দা

জয়ন্তদার খবর নিতে আজ হাজির হলাম আমি সেই শান্তিসুধা গেস্ট হাউসে বহুদিন পর। সেই আজ থেকে পাঁচ বছর আগে আমাদের বোলপুরে আসা এই শীতের সময়। সেই সোনাঝুড়ির ফাঁকা এলাকায় এই শান্তিসুধা গেস্ট হাউসে আলাপ হলো জয়ন্তদার সাথে আমার। তখন আমি ২৪ ঘণ্টায় কাজ করি। সেই তাঁর নম্বর নেওয়া। সেই তাঁর সাথে যোগাযোগ হয়ে যাওয়া এই জায়গায় থাকার সুবাদে। সেই কতজনের কাছে বলা এই থাকার ঠিকানা জানিয়ে আমার। বোলপুরে এলেই এই জায়গায় থাকলে ভালো ব্যবস্থা করে দেন তিনি। সেই একদম ঘরের মতই আতিথেয়তা দিয়ে নিজের করে নেওয়া। আর ঘুরে চলে যাবার পরেও সেই মানুষটার সাথে যোগাযোগ থেকে যাওয়া আমার যেটা আমার একটা বদ অভ্যাস।  মাঝে মাঝেই তাঁর সাথে আমার দূরে থাকলেও শহর থেকে যোগাযোগ হতো মোবাইল ফোনে। সেই দাদা এই দিন ঘর পাওয়া যাবে আমাদের অফিস এর লোক আসবে বলে কত যে বিরক্ত করেছি তাঁকে সময়ে অসময়ে তার ঠিক নেই। সেই ২৪ ঘণ্টার রিপোর্টার প্রসেনজিৎ মালাকার এর ক্যামেরাম্যান অমর এর আমাদের এই জায়গায় নিয়ে যাওয়া। ঘর দেখে পছন্দ হয়ে যাওয়ায় সেখানেই থেকে যাওয়া আমাদের। বেশ সুন্দর ছিমছাম ফাঁকা জায়গা। এক টুকরো জমিতে শীতে...

মহাকরণের রিপোর্টার শান্তশ্রী

মহাকরণের সেই লম্বা বারান্দা। সারি সারি ঘর। মন্ত্রী আমলা আর করনিকদের কত কাজের ব্যস্ততা। সেই ঘরের ভেতর মাথার ওপর ফ্যান ঘুরছে ধীরে ধীরে। কত লোকজনের আনাগোনা সেই সংরক্ষিত এলাকা দিয়ে হাতে পাশ নিয়ে। কত দরকারে মন্ত্রীর ঘরে আসা সব মানুষজনের। আর সেই মন্ত্রীর ঘরের ভেতর অনায়াসে হাসতে হাসতেই প্রবেশ করা সাংবাদিকদের। সংরক্ষিত এলাকা দিয়ে পুলিশকে একদম পাত্তা না দিয়ে। পকেটে পেন আর পকেটে নোট প্যাড নিয়ে। খবরের সন্ধানে ঘুরে বেড়ানো হাসিমুখে তাঁদের।  সেই শান্ত ধীর স্থির হাসিমুখে ঘুরে বেড়ানো এক কম বয়সী রিপোর্টার চষে ফেলছে গোটা এলাকা। যে বেশ মাটির ছেলে যেনো। হ্যাঁ সেই শান্তশ্রী মজুমদার মনে হয় নামটি। শান্ত বলেই সবাই তাকে চেনে। সেই ওর মহাকরণের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা ছবিটা দেখে কত কিছুই যে মনে পড়ে যায় আমার আজ। সেই কত রিপোর্টার এর এই ঘর আর ওই ঘরে হানা দেওয়া দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। খবরের কাগজের লোক আর টিভির লোকদের আনাগোনা এই করিডর ধরেই। জাল ফেলে মাছ ধরার চেস্টা করা আর কি। আর এইসব এর মাঝে বড়ো কাগজের রিপোর্টারদের জালে মাছ তুলে বসে থাকা চুপটি করে ঘাপটি মেরে। সত্যিই বেশ ...

আমাদের সবার মিল্টনদা

“স্মৃতি ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হবে। নতুন স্মৃতির পলি পড়বে। কোনও একদিন যক্ষের মতো কোনও এক নির্জন ঘরে সিন্দুকের ডালা খুলব। ক্যাঁচ করে শব্দ হবে। ভেতরে দেখব থরে থরে সাজানো আমার জীবনের মৃতঝরা মুহূর্ত। মাকড়সার ঝুলে ঢাকা, ধূসর। তখন আমি বৃদ্ধ; হাত কাঁপছে, পা কাঁপছে। চুল সাদা। চোখদুটো মৃত মাছের মতো। এই তো মানুষের জীবন, মানুষের নিয়তি। এই পথেই সকলকে চলতে হবে। বর্তমানের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতে না পারলে, অতীত বড় কষ্ট দেয়।” ― সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় , লোটাকম্বল হ্যাঁ, সত্যিই তো, অতীত বড়ো কষ্ট দেয় আমাদের এই রাত বিরেতে। দু চোখের পাতা এক হয় না কিছুতেই। রাত কেটে ভোর হয়, আলো ফোটে তবু সিন্দুকের ডালা খুলে বেরিয়ে আসে নানা স্মৃতি, নানা মুখ, নানা চরিত্র, নানা ঘটনা। হ্যাঁ, আজ আমার এই সাদা জীবনের কালো কথায় হুগলীর বিখ্যাত দাপুটে সাংবাদিক মিল্টন সেন এর কথা। ওর সেই হাসি খুশি মিষ্টি ভদ্র ব্যবহার, সব সময় মুখে ভালো কথা। আমার মত খারাপ বদনাম নেই ওর কোথাও। সবার সাথে নেতা, মন্ত্রী, পুলিশ অফিসার সবার সাথে ভালো সম্পর্ক রেখে এগিয়ে চলা মিল্টন এর বড়ো প্লাস পয়েন্ট।  সে যাক প্রথম ওর...